ঘটনা একঃ

 

প্রতিবছর ২০০০ কোটি টাকা - হ্যাঁ ভুল পড়ছেন না, প্রতিবছর ২০০০ কোটি টাকা নিয়ে আটবছরে ১৬০০০ কোটি টাকার যে ফান্ড পরিবহন শ্রমিক সমিতির সে ফান্ডের একটি টাকাও পাচ্ছেন না ৭০লক্ষ পরিবহন শ্রমিকের একজনও না খেয়ে মারা যাচ্ছেন অথচ সে টাকার গরমে শাজাহান খান, শিমুল বিশ্বাস, মশিউর রহমান রাঙ্গা চুপচাপ এ দূর্যোগের সময়েও।

 

ঘটনা দুইঃ

 

তুরস্কের মসজিদগুলো অভিনব এক স্বিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকর করা শুরু করেছে ক্ষুধার বিরুদ্ধে সংগ্রাম। তাদের ফান্ডে থাকা সকল টাকা দিয়ে যেহেতু নামায বন্ধ সেহেতু মসজিদের ভেতর বসিয়েছেন হাঙ্গার মার্কেট। থরেথরে সাজানো নিত্যব্যবহার্য তৈজসের, যার যা প্রয়োজন সে বিনামূল্যে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রবেশ গেটে লেখা যারা অর্থশালী আছেন তারা দিয়ে যান - যারা ক্ষুধার্ত তারা নিয়ে যান- এটাই ইসলাম। আর আমাদের মসজিদ মন্দির গীর্জা পীরেদের জমানো টাকা? ওহ আমাদের জাকের মঞ্জিলের জাকের সাহেব ভক্তদের টাকায় মালয়েশিয়াতে কারখানা করেন, চরমোনাই করেন নির্বাচন, দেওয়ানবাগী হা হা হা হা নাইবা বলি।

 

আমরা এরপরও দাবি করি আমরাই পৃথিবীর সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং মানবিক জাতি - লজ্জা হয় না একবারও ©